এন্ড্রয়েড ফোনের কাস্টম রম নিয়ে সবারই অনেক প্রশ্ন ও কৌতূহল থাকে। সাধারণ ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে এটাই স্বাভাবিক। অনেকে এটাকে খুব জটিল বিষয় মনে করে। তবে এটা যে খুব সিম্পল ব্যাপার তেমনটাও না। একটা সময় শুধুমাত্র ডেভেলপাররা কাস্টম রম বেশি ব্যবহার করলেও বর্তমানে বাংলাদেশে পাওয়ারইউজারদের সংখ্যা অনেক বাড়ছে। এর কারণ হচ্ছে সবারই এন্ড্রয়েড নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি। কাস্টম রম নিয়ে বেশিরভাগ রিসোর্স ই ইংরেজিতে আর সেগুলোর অবস্থান হচ্ছে বিভিন্ন ডেভেলপার ফোরাম ও টেলিগ্রাম গ্রুপে। তাই অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম যে বাংলা ভাষাভাষী সাধারণ ইউজাররা বুঝতে পাড়ে এমনভাবে কাস্টম রম কে ধারাবাহিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়া যায় কি না। এই উদ্দেশ্য নিয়েই মূলত এটিসি তে আমার এই গেট ফর্কড সিরিজ। আমি খুবই বেসিক থেকে শুরু করেছি যেন সবাই বুঝতে পারে। প্রথম পর্বে মূলত কাস্টম রম এর পরিচিতি ও কিছু সুবিধার কথা বলা হয়েছিল। সেটা পড়ে না থাকলে এখান থেকে পড়ে নিতে পারেন।
আজকের দ্বিতীয় পর্বে মূলত কাস্টম রম ইন্সটল করার পূর্বের ধাপগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। গত পর্বের কমেন্টে অনেকের অনেক প্রশ্ন ছিল। আজকের পর্বের পর তার মধ্যে বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তর ই পেয়ে যাবেন। ধরে নিলাম আপনার একটি এন্ড্রয়েড ফোন আছে এবং সেই ফোনটিতে আপনি কাস্টম রম ইন্সটল করতে চান।
ধাপ ১ঃ আপনার ফোনের জন্য কাস্টম রম, রিসোর্স ও প্রসিডিউর খোঁজা
আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে যে আগের পর্বে বলা হয়েছিল যে কমিউনিটি বেইজড কাস্টম রমগুলো থার্ড পার্টি বিভিন্ন কমিউনিটি বা শৌখিন ডেভেলপাররা তৈরী করে। তো স্বাভাবিকভাবেই বলা যায় যে তারা সব ফোনের জন্য কাস্টম রম তৈরী করে না আর সেটা সম্ভব ও না। কারণ সব ফোনের পরিচিতি বা ব্যবহারকারী সংখ্যা সমান না। অন্যদিকে কাস্টম রম ডেভেলপাররা বেশিরভাগ ই ভারতীয়, রাশিয়ান ও পূর্ব এশিয়ার। তাই এসব মার্কেটে যে ফোনগুলো বেশি চলে সেগুলোর ডেভেলপার ও বেশি। তাছাড়া আপনার ফোনটি যদি কোন গ্লোবাল ও একই সাথে মার্কেটের জনপ্রিয় কোন সেট হয় তাহলে তার ডেভেলপার ও অনেক বেশি এবং প্রায় সব ধরনের কাস্টম রমই সেই ফোনের জন্য পাওয়া যাবে সেটা নির্দ্বিধায় বলা যায়। যেমন ধরুন শাওমির রেডমি ৪এক্স ও নোট ৪এক্স এক সময় বাজারে অনেক চলেছিল। তাই বর্তমানে এই দুটো মডেলের কাস্টম রম ও অনেক বেশি। তাছাড়া ফ্ল্যাগশিপগুলো এবং ওয়ানপ্লাস এর সব মডেলের ফোনের জন্য প্রায় সব কাস্টম রমই আছে। একই কারণে বর্তমানে এশিয়ান মার্কেটে শাওমি ফোনের ব্যবহারকারী বেশি হওয়াতে শাওমির প্রায় সব মডেলের জন্যই ভালো ভালো কাস্টম রম পাবেন।
অন্যদিকে লোকাল বা কম পরিচিত ব্র্যান্ডগুলোর ডেভেলপার কম থাকে বিধায় কাস্টম রম সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না। কিংবা অনেক আগের ফোনগুলোর কাস্টম রম খুঁজে পেলেও হয়তো আপনি অনেক আগের এন্ড্রয়েড ভার্সন পাবেন। তার মানে আপনি লেটেস্ট এন্ড্রয়েড বা রেগুলার আপডেট পাচ্ছেন না।
তাই আপনাকে যেটা করতে হবে সেটা হচ্ছে প্রথমেই আপনার ফোনের মডেল বা কোড নেম দিয়ে ইন্টারনেটে সার্চ করে বিভিন্ন ফোরাম ঘেটে দেখতে হবে আপনার ফোনের জন্য কাস্টম রম এভেইলেবল কি না, কি কি কাস্টম রম আছে, সেগুলোর ডেভেলপার একটিভ কি না, কোন রমে ডেভেলপার রেগুলার আপডেট দিচ্ছে এগুলো। তারপর সে রমের যে ভার্সন বা বিল্ড ইন্সটল করতে যাচ্ছেন তাতে কোন বাগ আছে কি না, ব্যবহারকারীরা কেমন রিভিউ দিচ্ছে সেগুলো দেখে পছন্দ মত রম ইন্সটল করার জন্য সিদ্ধান্ত নিবেন। প্রথমবার রম ইন্সটল এর আগে উপরের বিষয়গুলো ক্লিয়ার হয়ে নেয়া ভালো। এরপর অভ্যস্ত হয়ে গেলে দিনে ৫ বার ৫ ধরনের রম ইন্সটল দিতেও ভয় লাগবে না। নতুন নতুন রম ইন্সটল করে টেস্ট করাটা এক অন্যরকম মজা।
কাস্টম রম যেহেতু এন্ড্রয়েড কোর ডেভেলপমেন্ট এর পর্যায়ে পড়ে তাই কাস্টম রম চিপসেটের উপরেও নির্ভরশীল। একই মডেলের চিপসেটের জন্য ডেভেলপ করা রম অন্য ফোনের একই চিপসেটের ফোনে খুব সহজেই অল্প পরিশ্রমেই পোর্ট করা যায়। তাই আপনি যদি সিম্ফনি বা ওয়াল্টনের মতো মিডিয়াটেক চিপসেটের ফোন ইউজ করেন সেক্ষেত্রেও হতাশ হওয়ার কারণ নেই। আপনার ফোনের মিডিয়াটেক চিপ্সেটের মডেল লিখে সার্চ দিয়েও ঐ মডেলের জন্য ডেভেলপ করা রম অল্প কিছু চেঞ্জ করে নিজের ফোনের উপযোগী করা যায়। এটা অবশ্য এডভান্সড লেভেলের কাজ। বাংলাদেশেও অনেক ডেভেলপার লোকাল ফোনগুলোর জন্য রম ডেভেলপ করছে। নেটে ঘাঁটলেই হয়তো পেয়ে যাবেন আপনার ফোনের জন্য রম। এক্সডিএ ডেভেলপার নামক ফোরামটিকে বলা যায় এন্ড্রয়েড ডেভেলপার ও পাওয়ার ইউজারদের ফেসবুক। এই ফোরামে জয়েন করলে উপরে যা যা বললাম তার সবই পেয়ে যাবেন। তাছাড়া রম ডেভেলপার ও রম গুলোর সাধারণত ফেসবুক গ্রুপ থাকে না। তারা টেলিগ্রাম নামক এক ধরনের মেসেজিং সার্ভিস ব্যবহার করে। সম্ভব হলে টেলিগ্রামে জয়েন করে বিভিন্ন রম ও ডেভেলপার কমিউনিটির গ্রুপ ও চ্যানেলে এড হয়ে যাবেন। তাহলে রেগুলার অনেক তথ্য ও আপডেট পাবেন।
ধাপ ২ঃ বুটলোডার আনলক
এই ধাপে আপনাকে আপনার ফোনের বুটলোডার আনলক করতে হবে। অনেকে হয়তো ভাবছেন বুটলোডার আবার কি জিনিস! গত পর্বে কি বলেছিলাম মনে আছে? এন্ড্রয়েড ফোনগুলো এন্ড্রয়েড ওএস দিয়ে বানানো ম্যানুফ্যাকচারার এর তৈরী রম নিয়ে বাজারে আসে। এটাকে বলে স্টক বা অফিশিয়াল রম। যেমন শাওমি ফোন মিইউআই রম আর হুয়াওয়ে আসে ইমোশন ইউআই নিয়ে। রম গুলো হলো একটি সম্পূর্ন প্যাকেজ। এই প্যাকেজে কোন একটি স্ক্রিপ্ট বা ফাইল যদি ভুল করে না দেয়া হয় তাহলে সেই রম ইন্সটল করতে গেলে আপনার ফোনে সেটা ইন্সটল হবে না। আর ইন্সটল হলেও দেখা যাবে যে কোন একটি হার্ডওয়্যার বা ফাংশন কাজ করছে না। তখন আবার আরেক বিপদ। আর সে ব্যবহারকারী যদি কাস্টম রম নিয়ে বেশি কিছু না বুঝে তাহলে কত ঝামেলায় পড়তে হবে বুঝতেই পারছেন। এমনকি আপনার ফোনের পার্মানেন্ট ড্যামেজ ও হতে পারে। ( ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বুঝে শুনে কাস্টম রম নিয়ে কাজ করলে ফোনের কিছু হয় না) আর আমার এই কাস্টম রম নিয়ে লেখা পড়ে যারাই কাস্টম রম নিয়ে কাজ করবেন তারা নিজ দায়িত্বেই করবেন। কোন ক্ষতি হলে লেখক দায়ী থাকবে না।

তো যেটা বলছিলাম, এসব সিকিউরিটির কারনেই কোনো ফোনের কোম্পানিই চায় না যে আপনার ফোনে আপনি কাস্টম রম ইন্সটল করেন। কিন্তু পাওয়ারইউজারদের কি আর এসব ভয় দেখিয়ে ঠেকানো যায়?
আমি সবার বুঝার সুবিধার্থে টেকনিক্যাল দিকে যাচ্ছি না। সহজ কথায় বুটলোডার হচ্ছে একটা ছোট্ট প্রোগ্রাম যা আপনার ফোন স্টোরেজে পারমানেন্টলি স্টোর করা থাকে। আপনার ফোন এর পাওয়ার বাটন চাপার সাথে সাথে এটা চলতে শুরু করে। এরপর এটা আপনার ফোনের অপারেটিং সিস্টেম বা রম কে লোড করে যার ফলে আপনি আপনার ফোনে বাকি সব কাজ করতে পারেন। তার মানে বুঝতেই পারছেন যে আপনার ফোনে অন্য কোন রম ইন্সটল করে চালাতে হলেও সেই রম কে এই বুটলোডারই চালু করে দিবে। আগেই বলেছি আপনি হয়তো গোলমাল লাগাতে পারেন এই ভেবে ফোন ম্যানুফ্যাকচারার আপনাকে কাস্টম রম ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করে। এই জন্য তারা বুটলোডার নামক প্রোগ্রামটাকে লক করে দেয় যেন আপনি অন্য কোন কাস্টম রম ইন্সটল করতে না পারেন। তবে সব ফোনে যে বুটলোডার লক করা থাকে ব্যাপারটা এমন ও নয়। বর্তমানে শাওমি সহ বেশ কিছু গ্লোবাল ব্র্যান্ড এ বুটলোডার লক করা থাকে। আবার পুরাতন অনেক স্যামসাং ফোন এ বুটলোডার লক করা থাকে না। তাই আপনাকে প্রথমেই বুটলোডার আনলক করতে হবে। আর আপনার ফোনে যদি আগে থেকেই আনলক করা থাকে তাহলে তো হয়েই গেলো। একেক ফোনে বুটলোডার আনলক করার প্রক্রিয়া একেক রকম। মজার ব্যাপার কি জানেন? ম্যানুফ্যাকচারাররাই বুটলোডার লক করে রাখে আবার বুটলোডার আনলক করার সিস্টেম ও তারা অফিশিয়ালি প্রোভাইড করে। তবে সেক্ষেত্রে বুঝে শুনে ব্যবহার করার জন্য তারা আপনাকে সতর্ক করে দিবে। আর একটা কথা বুটলোডার আনলক করার সাথে সাথেই আপনার ফোনের ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে। তাই আপনার ফোনের বুটলোডার আনলক করার পদ্ধতি জানার জন্য ১ নম্বর ধাপে যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবে ইন্টারনেটে খোঁজ নেন। অনেক টেক্সট ও ভিডিও টিউটোরিয়াল পাবেন। শাওমির মতো কমন ফোনগুলোর বুটলোডার আনলক করার মেথড আরো সহজেই পাবেন। শাওমির জন্য মি আনলক টুল পিসি তে ডাউনলোড করে আপনার মি একাউন্ট দিয়ে লগইন করে কয়েক মিনিটেই বুটলোডার আনলক করতে পারবেন। অন্যান্য ব্র্যান্ড এর জন্য এমনই সহজ প্রক্রিয়া। তবুও যদি না বুঝেন তাহলে আমাদের এটিসি অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপের সাহায্য নিতে পারেন!
ধাপ ৩ঃ কাস্টম রিকভারি ইন্সটল
এবারে আপনার কাজ হলো আপনার ফোনে কাস্টম বা থার্ড পার্টি রিকভারি প্রোগ্রাম ইন্সটল করা। এই প্রসেসটার জন্য পিসি থাকা লাগবে যদি না আপনার ফোন আগে থেকেই কোন ভাবে রুট করা থাকে। ধরে নিচ্ছি আপনার ফোন রুট করা না।
রিকভারি নিয়ে কিছু জিনিস না জানলেই নয়। রিকভারি শব্দের অর্থ হচ্ছে সুস্থ করে বা সারিয়ে তোলা। রিকভারি হচ্ছে বুটলোডার এর মতই একটা প্রোগ্রাম। ওএস এর মতো এটাকেও যখন আপনি কমান্ড দেন তখন বুটলোডার এই রিকভারি প্রোগ্রামকে চালু করে। এটাকে বলে রিকভারি মোডে যাওয়া। ধরা যাক আপনার ফোন নিয়ে খুব বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে কোর লেভেলে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন। সেক্ষেত্রে আপনার ফোনটির ওএস বুট ই হচ্ছে না। ঐ অবস্থায় আপনার ফোনকে সারিয়ে তোলার জন্যই রিকভারি প্রোগ্রাম ইন্সটল করা থাকে। এর মাধ্যমেই রম ইন্সটল করা লাগে। ফোনের পাওয়ার ও ভলিউম বাটনে বিভিন্ন কম্বিনেশনে টিপে ধরে রাখলে ফোনের রিকভারি মোড চালু হয়। এটা একেক ফোনের জন্য একেক রকম হয়। তবে এখানে একটি ব্যাপার আছে। আপনার ফোনে ডিফল্টভাবে যে রিকভারি মোড থাকে সেটাতে খুব বেশি ফিচার থাকে না। মানে ঐ রিকভারি ব্যবহার করে আপনি শুধু আপনার স্টক রম এর ই নতুন কোন ভার্সন ইন্সটল করতে পারবেন। অন্যান্য রম ইন্সটল করতে দিবে না এটা। ঐযে আগেই বললাম ম্যানুফ্যাকচারার চায় না আপনি কাস্টম রমে যান।

তো ডেভেলপাররা যেটা করলো সেটা হচ্ছে তারা কাস্টম রম এর মতো কাস্টম রিকভারি প্রোগ্রাম বানাল যা আপনাকে অন্য থার্ড পার্টি রম ইন্সটল করতে দিবে। তাছাড়া এগুলো তে আরো অনেক ফিচার পাওয়া যায়। ক্লকওয়ার্ক মড ও টিম উইন বা টিডব্লিউআরপি খুব জনপ্রিয় দুটি রিকভারি প্রোগ্রাম। বর্তমানে ফিচার ও ফ্লেক্সিবিলিটির জন্য সবাই টিডব্লিউআরপি ই ইউজ করে। টিডব্লিউআরপিকে আবার বিভিন্ন ডেভেলপার মডিফাই করে রেডউলফ, অরেঞ্জফক্স, পিচব্ল্যাক সহ অনেক ধরনের রিকভারি বানিয়েছে। ইউআই তে আর ফিচারে অল্প কিছু পার্থক্য আছে এদের মাঝে। তো এখন আপনার কাজ হলো ১ নম্বর ধাপে যেভাবে রম খুঁজতে বলা হয়েছে সেভাবে আপনার ফোনের মডেলের জন্য রিকভারি খুঁজে বের করা। চেষ্টা করবেন লেস্টেস্ট স্ট্যাবল ভার্সন ব্যবহার করার। আর অবশই এক ফোনের জন্য বানানো রিকভারি অন্য ফোনে ব্যবহার করতে যাবেন না। এই ব্যাপারগুলো নিয়ে সতর্ক থাকবেন।
ইন্টারনেটে আপনি রিকভারি প্রোগ্রাম ফাইলটি আইএমজি বা ডিস্ক ইমেজ ফরম্যাটে পাবেন। এটা ইন্সটল করার জন্য আপনাকে আপনার ফোনটি ডেভেলপার মোড ও ইউএসবি ডিবাগিং মোড অন করে পিসির সাথে ক্যাবল দিয়ে কানেক্ট করা লাগবে। এটাকে এডিবি মোড বলে। এখন আপনি ইউনিভার্সাল এডিবি টুল বা এই ধরনের কোন সফটওয়ার দিয়ে ঐ ফাইলটিকে এক ক্লিকেই ফোনে ইন্সটল করতে পারবেন। এর জন্য বিস্তারিত টিউটোরিয়াল ইউটিউবে পাবেন। আর একেক ফোনের জন্য প্রক্রিয়া একটু ভিন্ন হতে পারে তাই বিস্তারিত প্রক্রিয়াতে গেলাম না।

এবার আপনি ফোনের পাওয়ার ও ভলিউম ডাউন বাটন একসাথে কয়েক সেকেন্ড চেপে ধরলেই কাস্টম রিকভারিতে যেতে পারবেন। ফোন রিসেট দিলেও রিকভারি ডিলেট হয় না। তবে আপনি অন্য প্রক্রিয়াতে দরকার হলে এই কাস্টম রিকভারি আনইন্সটল করতে পারবেন। আর কাস্টম রিকভারি ইন্সটল করার পর এর পর অন্য কোন কাস্টম রিকভারি ইন্সটল বা বাকি সব কাজ আপনি এই রিকভারি মোড থেকেই করতে পারবেন। তখন আর আপনার পিসি লাগবে না।
ধাপ ৪ঃ কাস্টম রম ফ্ল্যাশ
এবার আপনার ফোন সম্পূর্নভাবে কাস্টম রম ইন্সটল করার জন্য প্রস্তুত। এর মাঝে নিশ্চয়ই আপনি প্রথম ধাপে বর্নিত উপায়ে আপনার ফোনের জন্য প্রথম রমটি ডাউনলোড করে ফেলেছেন। এবার কাজ হলো রমটি ইন্সটল করা। উপরেরসবকিছু করে ফেললে রম ইন্সটল বা ফ্ল্যাশ করা খুবই সহজ প্রসেস হলেও নতুনদের জন্য অনেক কিছু জানার ও বুঝার আছে। আপনি যখন প্রত্যেকটা স্টেপ নেয়ার আগে চিন্তা করে বুঝে নিবেন তখন আপনার ফোনের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি ও থাকবে না। আমার এই সিরিজের উদ্দেশ্য ই হলো মানুষকে বেসিক জিনিসগুলো কেন হয়, কিভাবে হয় তা বুঝানো। তাই রম ফ্ল্যাশ নিয়ে বিস্তারিত পরবর্তী আলাদা পর্বে লেখা হবে। আশা করছি খুব শীঘ্রই পাবেন সেটি।
CopyRight By ATC..

No comments:
Post a Comment